রাজশাহীর পুঠিয়ায় ১৪ বছরের এক কিশোরীকে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণের অভিযোগে দায়ের করা মামলার একমাত্র এজাহারনামীয় আসামি মো. সানাউল্লাহ শাওন (২০)-কে গ্রেপ্তার করেছে র্যাব-৫-এর একটি দল।
গ্রেপ্তারকৃত সানাউল্লাহ শাওন পুঠিয়া থানার কিলমারিয়া গ্রামের মো. সাইদুল ইসলামের ছেলে।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী কিশোরীর সঙ্গে অভিযুক্ত সানাউল্লাহর পূর্ব থেকেই আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিল। প্রায় চার মাস আগে সানাউল্লাহ কিশোরীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। এর সূত্র ধরে তাকে কিলমরিয়া গ্রামের এক আমবাগানে নিয়ে বিয়ের প্রলোভনে জোরপূর্বক প্রথমবার ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে বিভিন্ন তারিখে একইভাবে ভয়ভীতি ও প্রলোভন দেখিয়ে কিশোরীকে একাধিকবার ধর্ষণ করা হয়। সর্বশেষ গত ২৫ জুন ২০২৬ তারিখ রাত আনুমানিক ৮টার দিকে সানাউল্লাহ পুনরায় ভুক্তভোগীকে একই স্থানে নিয়ে ধর্ষণ করে।
মামলা দায়ের ও অভিযান: ঘটনাটি এলাকায় চঞ্চল্যের সৃষ্টি করলে ভুক্তভোগী কিশোরী নিজেই বাদী হয়ে গত ৭ জুলাই ২০২৬ তারিখে পুঠিয়া থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন, ২০০০ (সংশোধনী ২০২৫)-এর ৯(১) ধারায় একটি মামলা দায়ের করে (মামলা নং-০৬)।
মামলা দায়েরের পর আসামি আত্মগোপনে চলে গেলে তাকে গ্রেপ্তারে অভিযানে নামে র্যাব। এরই ধারাবাহিকতায় ১ আগস্ট রাত আনুমানিক ২:৫০ ঘটিকায় র্যাব-৫, সদর কোম্পানির একটি দল মতিহার থানাধীন খড়খড়ি এলাকায় শরীফুল ইসলামের বাড়ির সামনে থেকে আসামি সানাউল্লাহকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত আসামি উক্ত ঘটনার সাথে তার সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে তাকে রাজশাহীর পুঠিয়া থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।