ইমাম হোসেন, পুঠিয়া থেকে:
ঢাকা থেকে আসতে, কিংবা রাজশাহী থেকে যেতে বেলপুকুরিয়া নামক স্থান হতে শুরু হয়ে মহাসড়কটির বানেশ্বর, শিবপুর, বিড়ালদহ্, পুঠিয়া সদর, ঝলমলিয়া, সহ এসব এলাকায় মহাসড়কে চোখে পড়বে খানাখন্দের। বর্তমানে ঝলমলিয়া ও পুঠিয়া সদর এবং আরো কয়েক জায়গায় খানাখন্দের দেখা পাওয়া যাচ্ছে। আবার মাঝেমধ্যে সড়ক ও জনপদের কর্মকর্তা কর্মচারীদের মেরামতের দৃশ্য সেটিও চোখে পড়ে কিন্তু, এই মেরামত কাজ খুব একটা টেকসই হয় না। ফলে ভোগান্তি থেকেই যাচ্ছে। মহাসড়কে চলাচল করা মানুষের মনে প্রশ্ন, বারবার কাজ করেও কেন এই খানাখন্দ দূর করা যায় না। এসব খানাখন্দের জন্য ও মহাসড়কে তিন চাকার ছোট ছোট গাড়ি চলাচলের কারণে প্রতিনিয়তই ঘটে থাকে দুর্ঘটনা।
ঢাকা-রাজশাহী মহাসড়কের খোদ বানেশ্বর হাটের উপর ধুলাবালি প্রতিনিয়ত লক্ষ্য করা যায়। খুব ব্যস্ত ওই সড়কের উপর হাট বসতেও দেখা যায়, এসব কারণে যানজটেরও সৃষ্টি হচ্ছে প্রতিদিন।
সড়ক ও জনপদ অফিস মারফত জানা যায়, গত ২৫-২৬ অর্থবছরে রাজশাহী অঞ্চলের প্রায় ৪২৪ কিলোমিটার সড়কের জন্য, তাৎক্ষণিক মেরামত কাজের মালামাল ক্রয় করে ব্যয় করা হয়েছে প্রায় ৮০ লাখ টাকার মতো। এসব তাৎক্ষণিক মেরামত কাজের স্থায়িত্ব খুবই কম তা স্বীকারও করেন রাজশাহীর সড়ক ও জনপদের নির্বাহী প্রকৌশলী আহসান হাবীব।
নাটোর থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে রাজশাহীতে যাবার পথে এসব খানাখন্দের কারণে দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে যাওয়া এক মোটরসাইকেল আরোহী সাইফুল ইসলাম তিনি বলেন, এমন মহাসড়কে যদি এসব ভাঙ্গাচুরা গর্ত থাকে তাহলে দুর্ঘটনা কোনভাবেই দূর করা সম্ভব হবে না। আজকে আমি দুর্ঘটনা থেকে রক্ষা পেয়েছি। মহাসড়কে সংশ্লিষ্টদের নজর দেওয়া উচিত।
রাজশাহীর সড়ক ও জনপদ (সওজ) এর নির্বাহী প্রকৌশলী, আহসান হাবীব বলেন, আসলে জরুরী মেরামত কাজে যে মেটেরিয়ালস ব্যবহার করা হয়, সেই কাজ খুব একটা টেকসই হয় না। ব্যথা নাশক ঔষধ খাওয়ার মতো, প্রাথমিকভাবে দুর্ঘটনায় হতে ওই জরুরী মেরামত কাজগুলো করা হয়। আমি প্রতিনিয়ত সড়কগুলো পর্যবেক্ষণ করে থাকি। নির্দিষ্টভাবে কোথাও কোন খারাপ জায়গা থাকলে আমাকে জানালে আমি তা খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে মেরামত করে দেব।