মেহেরপুর জেলা পুলিশ সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন সেলের তৎপরতায় গত জুন-জুলাই মাসে সাধারণ ডায়েরির (জিডি) ভিত্তিতে চুরি হওয়া ও প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া ১২২টি মোবাইল ফোন এবং ১০ লাখ ১৮ হাজার ৩শত টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
সোমবার (২৫ আগষ্ট) সকালে মেহেরপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয় চত্বরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব মোবাইল ফোন এবং টাকা প্রকৃত মালিকদের হাতে হস্তান্তর করেন পুলিশ সুপার মাকসুদা আকতার খানম।
এ সময় মেহেরপুর সদর উপজেলার ৪১টি, গাংনী উপজেলার ৬৪টি এবং মুজিবনগর উপজেলার ১৭টি মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি মুজিবনগর থানা এলাকায় প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎকৃত ৯ লাখ১৭ হাজার টাকা, এবং সদর ও মুজিবনগর উপজেলায় ভুলক্রমে পাঠানো ১লাখ ১ হাজার ৩শত টাকা উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মেহেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) জামিনুর রহমান খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আব্দুল করিম, জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোপাল প্রমুখ। এসময় ভুক্তভোগীরা নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ফেরত পেয়ে খুশি এবং বাংলাদেশ পুলিশেরর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।
পুলিশ সুপার মাকসুদা আকতার খানম বলেন, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রতিটি অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে নিয়ে তদন্ত ও পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি আগামী কাল থেকে অনলাইন জুয়ার সাথে সম্পৃত্ত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে আইনের আওয়াতায় আনা হবে।
সোমবার (২৫ আগষ্ট) সকালে মেহেরপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয় চত্বরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব মোবাইল ফোন এবং টাকা প্রকৃত মালিকদের হাতে হস্তান্তর করেন পুলিশ সুপার মাকসুদা আকতার খানম।
এ সময় মেহেরপুর সদর উপজেলার ৪১টি, গাংনী উপজেলার ৬৪টি এবং মুজিবনগর উপজেলার ১৭টি মোবাইল ফোন প্রকৃত মালিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পাশাপাশি মুজিবনগর থানা এলাকায় প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎকৃত ৯ লাখ১৭ হাজার টাকা, এবং সদর ও মুজিবনগর উপজেলায় ভুলক্রমে পাঠানো ১লাখ ১ হাজার ৩শত টাকা উদ্ধার করে প্রকৃত মালিকদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন মেহেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) জামিনুর রহমান খান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আব্দুল করিম, জেলা গোয়েন্দা পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) গোপাল প্রমুখ। এসময় ভুক্তভোগীরা নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ফেরত পেয়ে খুশি এবং বাংলাদেশ পুলিশেরর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছে।
পুলিশ সুপার মাকসুদা আকতার খানম বলেন, জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। প্রতিটি অভিযোগ গুরুত্ব সহকারে নিয়ে তদন্ত ও পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি আগামী কাল থেকে অনলাইন জুয়ার সাথে সম্পৃত্ত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করে আইনের আওয়াতায় আনা হবে।