রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে মহিশালবাড়ী মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে শিক্ষার গুনগত মান উন্নয়ন, বাল্যবিয়ে, মাদক প্রতিরোধ, শিক্ষার্থীদের শ্রেণী কক্ষে উপস্থিতির বৃদ্ধির লক্ষ্যে আভিভবাদের নিয়ে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
২৮ অগস্ট, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০ সময় বিদ্যালয়ের অডিটারিয়ামে প্রধান শিক্ষক মোঃ শিক্ষক মেঃ হায়দার আলীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ফয়সাল আহমেদ।
বক্তব্য প্রদান করেন, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য জবাইদা খাতুন, সহাকরী শিক্ষক আব্দুর রহিম, সহকারী শিক্ষক মোঃ আফজাল হোসেন, সহকারী শিক্ষক মোঃ মোমিনুল হক, সহকারী শিক্ষক আশরাফুল হক, অভিভাবকদের পক্ষ থেকে মোঃ দিনু, মজিবুর রহমান, শওকতার আলম, রকিয়া খাতুন প্রমূখ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফয়সাল আহমেদ বলেন, শিক্ষার্থীদের প্রথম কাজ হচ্ছে নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসা, প্রতিদিনের পড়াটি প্রতিদিন শেষ করা। আভিভাবকদের কাজ কাজ তাদের ছেলে মেয়েরা নিয়মিত স্কুলে আসছে কিনা, পড়া লিখা করছে কি না খোঁজ খবর নেয়া, মাদক, বাল্য বিয়ে থেকে বিরত থাকা। শিক্ষার্থীদের বেশী বেশী করে সহপাঠ্যক্রমিক কার্যাবলীতে অংশ গ্রহন নিশ্চত করা।
শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গর্ব। যারা সাফল্য অর্জন করেছেন, যারা দেশ গড়ার কাজে নিয়োজিত আছেন তাদের জীবনী পর্যালোচনা করলে দেখা যায় তারা নিয়মিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যায়ন করেছন। বিদ্যালয় থেকে নিয়ম শৃঙ্খলা শিখে এসেছেন। একজন যোগ্য শিক্ষক, একজন যোগ্য অভিভাবকের সততা, মহত্ব ও কর্মকুশলতা আমাদের গর্বের। একটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাফল্য শিক্ষক -শিক্ষার্থী - অভিভাবক, এলাকাবাসী সহযোগিতা উপর নির্ভর করে। তাই সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।
২৮ অগস্ট, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১০ সময় বিদ্যালয়ের অডিটারিয়ামে প্রধান শিক্ষক মোঃ শিক্ষক মেঃ হায়দার আলীর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি ফয়সাল আহমেদ।
বক্তব্য প্রদান করেন, ম্যানেজিং কমিটির সদস্য জবাইদা খাতুন, সহাকরী শিক্ষক আব্দুর রহিম, সহকারী শিক্ষক মোঃ আফজাল হোসেন, সহকারী শিক্ষক মোঃ মোমিনুল হক, সহকারী শিক্ষক আশরাফুল হক, অভিভাবকদের পক্ষ থেকে মোঃ দিনু, মজিবুর রহমান, শওকতার আলম, রকিয়া খাতুন প্রমূখ।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফয়সাল আহমেদ বলেন, শিক্ষার্থীদের প্রথম কাজ হচ্ছে নিয়মিত বিদ্যালয়ে আসা, প্রতিদিনের পড়াটি প্রতিদিন শেষ করা। আভিভাবকদের কাজ কাজ তাদের ছেলে মেয়েরা নিয়মিত স্কুলে আসছে কিনা, পড়া লিখা করছে কি না খোঁজ খবর নেয়া, মাদক, বাল্য বিয়ে থেকে বিরত থাকা। শিক্ষার্থীদের বেশী বেশী করে সহপাঠ্যক্রমিক কার্যাবলীতে অংশ গ্রহন নিশ্চত করা।
শিক্ষক, অভিভাবক, শিক্ষার্থী আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের গর্ব। যারা সাফল্য অর্জন করেছেন, যারা দেশ গড়ার কাজে নিয়োজিত আছেন তাদের জীবনী পর্যালোচনা করলে দেখা যায় তারা নিয়মিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যায়ন করেছন। বিদ্যালয় থেকে নিয়ম শৃঙ্খলা শিখে এসেছেন। একজন যোগ্য শিক্ষক, একজন যোগ্য অভিভাবকের সততা, মহত্ব ও কর্মকুশলতা আমাদের গর্বের। একটা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সাফল্য শিক্ষক -শিক্ষার্থী - অভিভাবক, এলাকাবাসী সহযোগিতা উপর নির্ভর করে। তাই সবাইকে সচেতন থাকতে হবে।