বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায় বাড়িতে ঢুকে আমির হামজা (২৩) নামের এক কলেজ শিক্ষার্থীকে গুলি করে হত্যা করেছে একদল দুর্বৃত্ত।বৃহস্পতিবার বিকেলে উপজেলার শিবপুর গ্রামে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত আমির হামজা ওই গ্রামের রুহুল
আমিন মুন্সির ছেলে এবং খুলনা সরকারি সুন্দরবন কলেজের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ছাত্র ছিলেন। পড়াশোনার পাশাপাশি তিনি খুলনার পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে কর্মরত ছিলেন।
নিহতের বাবা রুহুল আমিন মুন্সি জানান, বিকেল ৪টার দিকে তিনি বাড়ির উঠানে ছেলের সাথে কথা বলছিলেন। এ সময় তিনটি মোটরসাইকেলে হেলমেট পরা ছয় যুবক তাঁদের বাড়িতে প্রবেশ করে নিজেদের পুলিশ পরিচয় দিয়ে হামজাকে ধাওয়া করে। আত্মরক্ষার্থে হামজা দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করলে খালের পাড়ে পড়ে যান। তখন দুর্বৃত্তরা তাঁর মাথায় গুলি করে দ্রুত পালিয়ে যায়। তবে কী কারণে তাঁর ছেলেকে এভাবে হত্যা করা হলো, সে বিষয়ে তিনি কিছুই জানাতে পারেননি।
ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বাগেরহাট জেলা হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া শুরু করেছে। বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. শামীম হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তবে তাৎক্ষণিকভাবে হত্যাকাণ্ডের সুনির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে পুলিশ নিশ্চিত হতে পারেনি।
বাগেরহাটের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী রাতে জানান, ঘাতকদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে পুলিশের পাশাপাশি সিআইডি, পিবিআই এবং গোয়েন্দা পুলিশের একাধিক দল কাজ শুরু করেছে। কেন এবং কারা এই মেধাবী শিক্ষার্থীকে হত্যা করল, তা উদ্ঘাটনে নিবিড় অনুসন্ধান চলছে।