জ্বালানি তেলের কৃত্রিম সংকট ও অবৈধ মজুত প্রতিরোধে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন রাজশাহীর নতুন জেলা প্রশাসক (ডিসি) কাজী শহিদুল ইসলাম।
তিনি বলেছেন, কোনোভাবেই অবৈধভাবে তেল মজুত করতে দেওয়া হবে না; এ ধরনের অনিয়মে জড়িতদের বিরুদ্ধে জরিমানাসহ কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শনিবার সকালে পবা উপজেলার কাঁটাখালী পৌর বাজারে পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।
জেলা প্রশাসক বলেন, রাজশাহীকে পরিচ্ছন্ন ও বাসযোগ্য নগরী হিসেবে গড়ে তোলার কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। পরিদর্শনকালে বরেন্দ্র কর্তৃপক্ষের ফেলে রাখা অসম্পূর্ণ ড্রেনের কাজ দ্রুত শেষ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ও পৌরসভার অপরিষ্কার ও অসম্পূর্ণ ড্রেন চিহ্নিত করে দ্রুত পরিষ্কার ও সংস্কারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, পৌর এলাকার পরিচ্ছন্নতা একটি চলমান প্রক্রিয়া। এ কারণে এখন থেকে প্রতি সপ্তাহে জেলার বিভিন্ন এলাকায় নিয়মিত পরিচ্ছন্নতা অভিযান পরিচালনা করা হবে।তেলের বাজার নিয়ন্ত্রণ প্রসঙ্গে ডিসি কাজী শহিদুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার ভোরে দুর্গাপুর উপজেলার আলী বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে অবৈধ তেল মজুতের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। ইউনিয়ন থেকে শুরু করে প্রতিটি উপজেলায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়মিত অভিযান পরিচালনার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মহানগরীসহ পুরো জেলায় এ ধরনের সাঁড়াশি অভিযান অব্যাহত থাকবে।
তিনি বলেন, বৈশ্বিক সংকটের এ সময়ে সরকার ভর্তুকির মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে। এ অবস্থায় বাজারে পণ্যের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করাই প্রশাসনের প্রধান লক্ষ্য। কেউ কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি বা অবৈধ মজুতদারিতে জড়িত থাকলে তাকে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।
ডিসি আরও জানান, তেলের কৃত্রিম সংকট ঠেকাতে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অনুসরণের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার শাখার উপপরিচালক মো. জাকিউল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোহা. সবুর আলী, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মো. মহিনুল হাসান এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মোহাম্মদ মেহেদী হাসানসহ প্রশাসনের অন্যান্য কর্মকর্তারা।